নিজস্ব প্রতিবেদক:: সিলেট লামাবাজার ফাঁড়ি পুলিশের নামে বিভিন্ন অপরাধ আস্তানা থেকে টাকা আদায় করে কে এই তারেক।
খোঁজ নিয়ে জানাযায় দেওয়ান তারেক চৌধুরী একজন আওয়ামীলীগের দোসর। সে স্বেচ্ছাসেবক লীগের ক্যাডার হিসেবে পরিচিত ছিলো। বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামিলীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে তারেক চাঁদাবাজী সহ অনেক অপকর্মের সাথে জড়িত ছিলো। তাহার ভয়ে কেউ মূখ খুলতোনা। ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট দুপুরে মগরীর সুরমা মার্কেট পয়েন্ট যেটাকে নাগরিক চত্ত্বর বলা হয় সেখানে রামদা হাতে নিয়ে মিছিল করছেন। এসময় ঐ মি মিছিলে সাবেক কাউন্সিলর বাবলুও ছিলেন। ৫ আগস্ট ২০২৪ ইং সালে আওয়ামিলীগ সরকারের পতনের পর তিনি নীরবতা পালন করেন।
এরপর আবারও তিনি খোলস ছেড়ে বেড়িয়ে আসেন। তিনি ভাইয়ের নাম বিক্রি করে ক্ষমতা দেখিয়ে আবারও বিভিন্ন মাদক আস্তানা, জুয়ার আস্তানা, ফুটপাতের দোকান থেকে লামাবাজার ফাঁড়ি পুলিশের নামে বখরা আদায় করেন। পুলিশও তাহার ভয়ে কিছু বলেনা।
তারেকের বড় ভাই দেওয়ান জাকির হোসেন চৌধুরী বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে তারেক মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের কতোয়ালী থানা আহবায়ক কমিটির সদস্যপদ ভাগিয়ে নেন। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট আওয়ামীলীগের মিছিলে তারেক চৌধুরীর রামদা হাতে শ্লোগানের ছবি ছড়িয়ে পরলে তাকে গত ১০/০৮/২০২৫ ইং তারিখে স্বেচ্ছাসেবক দলের সিলেট কোতোয়ালি থানা আহবায়ক কমিটির সদস্য পদ থেকে বহিস্কার করা হয়।
বহিষ্কার হওয়ার পর তারেক আবারো পুরনো চাঁদাবাজির ব্যবসা শুরু করেছে। সরেষপুরের কয়েকটি মাদক আস্তানা, ঘাশিটুলা, কানিশাইল, লামাবাজার, সরেষপুরে জুয়ার আস্তানা থেকে নিয়মিত সাপ্তাহিক ভিত্তিতে পুলিশের নামে বখরা আদায় করলেও স্থানীয় প্রশাসন তাহার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করছেনা।
স্থানীয়রা এই প্রতিবেদককে বলেন পুলিশ কি তারেককে গ্রেফতার করবে, তারেক পুলিশ থেকেও খারাপ। পুলিশ তারেক কে ভয় পায়।
পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে তারেকের চাঁদাবাজি সম্পর্কে জানতে মুঠোফোনে লামাবাজার ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ এস আই মোহাম্মদ আলী খান এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন চাঁদাবাজির বিষয়ে কিছু জানেননা। খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তাকে চিনেন কিনা জানতে চাইলে বলেন পরিচয় আছে।
প্রকাশক: মিসেস মোর্শেদা হাসান, সম্পাদক : কল্লোল পাল সর্দার, প্রধান সম্পাদক : ইমরান হাসনাত জুম্মান(ইউকে প্রবাসী) ,
সহ-সম্পাদক: মো: আল-আমীন, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: রাজা ম্যানশন, জিন্দাবাজার, সিলেট।, মোবাইল: ০১৬০৭৮৯৭৭৯৪
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত