নিজস্ব প্রতিবেদক:: বিভিন্ন মিডিয়ায় লিড নিউজে দরবেশ ও রাজাদের খবর আসলে সেনাপতি ফরহাদের মন খারাপ তাই এলাকাবাসী তার নাম দিলেন সেনাপতি,
তাই সেনাপতি ফরহাদের অনুসন্ধানে বের হয়েছিলাম তথ্য নেওয়ার জন্য, অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসলো চাঞ্চল্যকর তথ্য।
মুস্তাকিক আহমদ ফরহাদ, উৎমা এলাকায় ভাই বলে পরিচিত, তাকে সবাই ভাই বলে ডাকে। তার আছে বিশাল অফিস,যেখানে খালেদা জিয়ার সাথে তার ছবি,জিয়াউর রমানের ছবি, তারেক রহমানের ছবি, এবং বিএনপি যুবদল,ছাত্রদলের নেতাদের সাথে তার ছবিতে ঠাসা। তার কর্মযজ্ঞ পর্যালোচনা করে তাকে "সেনাপতি" উপাধিতে ভূষিত করলেন এলাকাবাসী ।ছাত্রদলের মাধ্যমে রাজনীতিতে নাম লেখালেও এখন তিনি জেলা যুবদলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক।
ফরহাদের সহযোগিরা হলো, এনাম, রফিক যুবদল নেতা, মুহিব তার ডান হাত কাছের লোক, মস্তফা, তরিকুল্লা মেম্বার।
আরো জানা যায় যে, ডাঃ মিটুর ফার্মেসীতে রাতে টাকার বাট বাটুয়ারা হয়। আলী নুর, নুর উদ্দিন এরাও টাকার অংশ বুঝে নেন।
গত ৫ আগষ্ট /২৪ এর পর থেকে এলাকায় মাদকদ্রব্য ও চিনি চোরাচালানের নেতৃত্বে আবির্ভাব ঘটে তার। তবে সেটা পারিবারিক হাত বদল মাত্র। ৫ আগষ্টের আগে তারই ভাই ছাত্রলীগ নেতা রাসেল এসব নিয়ন্ত্রণ করত। রাসেলের নামে আবার দলীয় প্রভাব খাটিয়ে ইউনিয়নের সারের ডিলার নেওয়া। যে কিনা ডিলারের স্যার নিয়ে টুকেরবাজার বিক্রি করে দেয় নিয়মিত।
সেনাপতি ফরহাদ চিনি চোরাচালান সেই পুরানো আওয়ামী লাইনম্যান দিয়ে চালাতে গিয়ে একবার স্থানীয় এক সাংবাদিক আব্দুল গাফফার এর সাথে মারামারি হয় যা সেই সময় সোশাল মিডিয়ায় ঝড় তুলেছিল এবং বিভিন্ন নিউজ পোর্টালে । একটা সময় গাফফার ও সেনাপতির ভয়ে চুপ হয়ে যায়।
চিনির বস্তা প্রতি চাঁদা নেওয়া হয় ৩০০-৫০০/- টাকা করে।
তারপর শুরু হয় উৎমা ছড়া,মাঝের গাও জিরো পয়েন্ট থেকে পাথর উত্তোলন করে চাঁদাবাজির মহোৎসব।
পাশাপাশি পিয়াইন নদীতে বালুমহাল লিজ হলে শুরু হয় উৎমা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন। এসবের নেতৃত্বে সেনাপতি ফরহাদ এবং তার ডান হাত এনাম আহমদ।কথিত আছে বালু থেকে ফুট প্রতি ৩ টাকা চাঁদা তুলে এর একটি অংশ দিয়ে ওসি ও ইউএনওকে ম্যানেজ করা হতো।আর পাথরের ট্রাক প্রতি ১০০০/১৫০০ টাকা তুলে একইভাবে ওসি,ইউএনও ও জেলা নেতাদের ম্যানেজ করে চলে ফরহাদের চাঁদাবাজির রাজত্ব। সাদাপাথর কান্ডে যখন দেশে তোলপাড় চলছে তখনও উৎমা ছড়ায় ফরহাদের লুটপাট বন্ধ হয়নি।
আরো জানা যায়, গত ১৬ আগষ্ট NEWS24 একটি উৎমা ছড়ায় বালু ও পাথর লুটের একটি নিউজ করে সেখানে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন এলাকাবাসী জানান এসব লুটপাটের নেতৃত্বে রয়েছেন যুবদল নেতা ফরহাদ। তিনি জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মকসুদ আহমদের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে এলাকায় পরিচিত।দয়ার বাজার এলাকার বাহার,রজনের অনুসারি।
গত এক বছরে ফরহাদ চিনি চোরাচালান , বালু ও পাথর লুটে কয়েক কোটি টাকা কামিয়েছেন বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন এলাকাবাসী জানিয়েছেন।ইতি মধ্যে অনেকগুলো পত্রিকা ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়ায় তার নামে অসংখ্য নিউজ হয়েছে কিন্তু তিনি রয়েছেন ধরাছোঁয়ার বাহিরে।তার খুঁটির জোর কোথায় তা কেউ জানেনা।
ফরহাদের মুঠোফোনে বক্তব্য নিতে গেলে সে সাংবাদিক কে বলে, সে উকিল, কাউকে সে ভয় পায় না, কাউকে কৈফিয়ত দেয় না, সাংবাদিক কে রাজনৈতিক মামলায় ডুকিয়ে দেবেন, এমনি প্রাণ নাশেরও হুমকি দেন।
তবে এলাকাবাসীর দাবী তিনি জেলার নেতাদের আশীর্বাদে মাসোহারার বিনিময়ে ওসি ইউএনওকে ম্যানেজ করে এসব অপকর্ম করে যাচ্ছেন।
প্রকাশক: মিসেস মোর্শেদা হাসান, সম্পাদক : কল্লোল পাল সর্দার, প্রধান সম্পাদক : ইমরান হাসনাত জুম্মান(ইউকে প্রবাসী) ,
সহ-সম্পাদক: মো: আল-আমীন, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: রাজা ম্যানশন, জিন্দাবাজার, সিলেট।, মোবাইল: ০১৬০৭৮৯৭৭৯৪
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত