
নিজস্ব প্রতিবেদক:: সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার কাঁঠালবাড়ি, ডিবির হাওর ও শ্রীপুর-খরমপুর সীমান্ত দিয়ে প্রতিনিয়ত গরু-মহিষ, কসমেটিক, মাদক, অস্রসহ ও বিভিন্ন পণ্য প্রবেশ করছে। এই অবৈধ পণ্যে প্রবেশে সহযোগিতা করছে বিজিবি’র লাইনম্যান ২নং জৈন্তাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একলাস রহমানের ছেলে শাহীন আহমদ, যিনি বর্তমানে জৈন্তাপুর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক পদে রয়েছেন।
উল্লেখ্য গত ২৬ অক্টোবর রবিবার সিলেট এডিশন নামের একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল “জৈন্তাপুরে ডেবিল বেনডিস করিম ও তরিকুলের নিয়ন্ত্রণে ভারতীয় চোরাইপণ্যে ” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের পর অপরাধীরা এখন আরো বেপরোয়াভাবে বিজিবি-পুলিশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তাদের অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে একদিকে বন্ধ হচ্ছেনা চোরাচালান, অন্যদিকে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা।সংবাদ প্রকাশের পর ২৮ অক্টোবর ভোরে ২৪ ঘন্টার মধ্যে আরো ১২০ টি মহিষের চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করিয়েছে শাহিন-তরিকুল।
অভিযোগ রয়েছে, চোরাচালান সিন্ডিকেটটি স্থানীয় বিজিবি ও পুলিশের কিছু সদস্যকে ম্যানেজ করেই দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত পেরিয়ে এসব অবৈধ পণ্য নিয়ে আসছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্র জানায়, পুলিশের পক্ষ থেকে লাইনম্যান তরিকুল ইসলাম তারেক প্রশাসনিক সহায়তা দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
পাচার হওয়া গরু-মহিষগুলো জৈন্তাপুরের দরবস্ত বাজারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ইজারাদার চক্র বড় অংকের টাকা নিয়ে এসব ভারতীয় গরু-মহিষকে বাংলাদেশি বলে বৈধতা দিয়ে বাজারজাত করে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে জানতে জৈন্তাপুর থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তাহার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সচেতন মহল প্রশাসনের কাছে দ্রুত এই চোরাচালান সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।