1. live@somoytvbangla.com : সময় টিভি বাংলা : সময় টিভি বাংলা
  2. info@www.somoytvbangla.com : সময় টিভি বাংলা :
শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ০৮:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দোয়ারাবাজারে খাসিয়ামারা বালু মহাল পরিদর্শনে সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক এলাকার ক্ষতি হয় এমন জায়গায় বালু উত্তোলন নিষেধাজ্ঞা সিলেট ল’কলেজ ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত সিলেটের উৎমাছড়া এলাকায় বালু,পাথর ও চিনি চোরাচালান এর সেনাপতি যুবদল এর সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ফরহাদ কোম্পানীগঞ্জে বিজিবির অভিযানে স্টিল বডি নৌকা আটক সিলেট সিটি কর্পোরেশন যেন টাকার খনি- শত কোটি টাকার মালিক আব্দুল বাছিতগং সিন্ডিকেট ১ লক্ষ টাকা না দেওয়ায় ২ মাস ১৩ দিন পর আদালতে পশু নির্যাতনের মামলা কোম্পানীগঞ্জে ইজারা বহির্ভূত জায়গা থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগ কোম্পানীগঞ্জে আব্দুল আলীমের অপকর্মে অতিষ্ঠ জনসাধারণ,বালি- পাথর লোটপাটে জড়িয়ে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ গোয়াইনঘাট থানার ওসির টাকার মেশিন কয়েকজন বিট অফিসার! উৎসবের সহযোগিতায় বালি লুটপাটে কোটিপতি আব্বাস

গোয়াইনঘাট থানার ওসির টাকার মেশিন কয়েকজন বিট অফিসার!

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৫
  • ৩১ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টারঃঃ গেলো ৫ই আগস্ট স্বৈরাচার সরকারের পতনের পর সারা দেশের ন্যায় অভিভাবকহীন হয়ে পড়ে গোয়াইনঘাট থানা। বাংলাদেশ সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড.ইউনুস সরকারের দায়িত্ব নিলেও এখনও যেনো গোয়াইনঘাট থানা-পুলিশ অভিভাবকহীন রয়ে গেছেন। ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে নিজেদের ইচ্ছেমত পালন করে যাচ্ছেন এই থানার দায়িত্ব।

অনুসন্ধানে জানা যায়, সরকার মো.তোফায়েল আহমদ অফিসার ইনচার্জ হিসেবে এ থানায় যোগদানের পরপরই তিনি তার চৌকস অফিসারদের উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন বিটের দায়িত্ব দিয়ে এবং সাবেক ওসি রফিকের হিসাবরক্ষক কনস্টেবল আমানকে সাথে নিয়ে শুরুকরেন অবৈধভাবে টাকা রোজগারের ধান্দা।

এসআই উৎসব কর্মকারকে ১১নং মধ্য জাফলং ইউনিয়ন বিট অফিসারের দায়িত্ব দিলেও তিনি থানার সেকেন্ড অফিসার হিসেবে কাজ করছেন, তার দায়িত্ব অন্যান্য অফিসারদের খোঁজখবর নেওয়া কে কোন ইউনিয়ন বিট থেকে কত টাকা চাঁদা আদায় করছে। বেলা শেষে ঐ হিসাব ওসিকে বুঝিয়ে দেয় এসআই উৎসব।১১নং মধ্য জাফলং ইউনিয়নে সহকারী বিট অফিসার হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন এএসআই সাহিদুল, তিনি মধ্য রাতে তার ইউনিয়নের বাংলাবাজার,বাউরভাগ এবং নয়াগাং এর পাড়ে ড্রেজার মেশিনের মাধ্যমে বালু খেকোদের দিয়ে বালু উত্তোলন করান, বিএনপি এক নেতার ভাইকে দিয়ে অবৈধ চোরাচালানের লাইন নিয়ন্ত্রণ করেন। প্রতিদিন এএসআই সাহিদুল ও কনস্টেবল রমজান রাতে গিয়ে চোরাচালানের লাইনম্যানের কাছ থেকে টাকার হিসাব নিয়ে থানায় ফেরেন এবং এসআই উৎসবকে হিসাবনিকাশ বুঝিয়ে দেন।খবর দৈনিক জৈন্তার ডাক।

এ ছাড়াও অনুসন্ধানে জানা যায়,১১নং মধ্য জাফলং ইউনিয়নের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন লোক থানায় অভিযোগ দায়ের করিলে বিট অফিসার হিসেবে সেই অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব পান এএসআই সাহিদুল, তিনি অভিযোগ তদন্ত করে প্রতি অভিযোগকারীদের কাছ থেকে বড় অঙ্কের টাকা আদায় করেন, কেউ টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে উল্টো বাদীকে ভয়ভীতি দেখান। এমনকি তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে বিবাদীদেরকে তাহার মোবাইল নাম্বার দিয়ে বাজারে কিংবা থানায় এসে দেখা করার অফার দিয়ে আসেন বলেও অভিযোগ রয়েছে এই সাহিদুলের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়,ভুক্তভোগীরা আরো জানান যে, অনেক টাকাপয়সা নিয়েও ঐ অফিসার অভিযোগুলোর বিষয়ে আইনগতভাবে ব্যবস্থা না নিয়ে দিনের পর দিন ভুক্তভোগীদের হয়রানি করান এবং বার বার টাকা নিতে থাকেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়,জাফলংয়ের বিএনপি নেতা শাহ পরান, এবং নয়াবস্তি গ্ৰামের আজগর আলী সিন্ডিকেট বাহিনীদের সাথে লিয়াজু করে জাফলং জিরো পয়েন্ট পর্যটন এলাকা থেকে কোটি টাকার পাথর লুটপাটতে ওই পুলিশ অফিসাররা সহযোগিতা করেছেন এবং প্রতিদিন ৫/৬ লক্ষ টাকা চাঁদা নিতেন ওসির নামে।অন্যদিকে চা শিল্পের অন্যতম এলাকা জাফলং চা-বাগান ও জাফলং বাসির একমাত্র স্বপ্নের ব্রীজ যেটি সেলফি ব্রীজ নামে পরিচিত, সেই সমস্ত ক্রিটিকাল এরিয়ায় প্রতিরাতে ৪/৫লাখ টাকার বিনিময়ে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলনের সুযোগ দিতেন বালু খেকোদের।শুধু তাই নয়!উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাঝেমধ্যে নদীতে অভিযান আসার সম্ভাবনা থাকলে ওসির সাথে থাকা কনস্টেবল আমান সাথে সাথে বিষয়টি বিট অফিসারদের জানিয়ে দিতো।বালু উত্তোলন কিংবা পুলিশের লাইনের টাকা তুলতে গিয়ে যদি কেউ পানিতে পরে মারা যান কিংবা নিখোঁজ হয়! সে সব ঘটনা থেকেও বড় অঙ্কের টাকা যেতো পুলিশের পকেটে, শেষে এসমস্ত টাকা যেতো ওসি সরকার তোফায়েল আহমেদের পকেটে।

১৩নং বিছনাকান্দি ইউনিয়ন বিট অফিসারের দায়িত্বে এসআই রাকিব এবং এএসআই তানভীর।যোগদানের পর থেকে শুরু হয় চোরাই পথে আসা ভারতীয় গরু-মহিষ, চিনি কসমেটিকস ইত্যাদি, এই সমস্ত চোরাচালান থেকে স্থানীয় লাইনম্যান নিয়োগ দিয়ে ওসির নামে টাকা কালেকশন করতেন এসআই রাকিব ও এএসআই তানভীর। তারা তাদের নিজস্ব কনস্টেবল ও স্থানীয় লাইন্যান দিয়ে দৈনিক ৩/৪ লক্ষ টাকা ওসির নামে কালেকশন করাতেন।

২নং পশ্চিম জাফলং ইউনিয়ন বিট অফিসারের দায়িত্বে এসআই তরিকুল,তিনি নিজেকে একজন বিচারক হিসেবে জাহির করেন,সবচেয়ে বেশি সীমান্ত চোরাচালান মাদকদ্রব্য আমদানি ও চোরাই পথে ভারতে নারী পাচার হয় তার ঐ বিট সীমান্ত দিয়ে,লুনি-হাজীপুর নদী সহ্ ইউনিয়নের আওতাধীন সকল নদী থেকে বড় অঙ্কের টাকার বিনিময়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন সহ সকল অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সুযোগ রয়েছে তার কাছে।তিনি স্থানীয় লাইনম্যানের মাধ্যমে ওসি সরকার তোফায়েল আহমেদের নামে টাকা কালেকশন করে আসছেন, মিডিয়ায় চোরাচালান ও বালু লুটের বিষয়ে সরাসরি প্রমাণ দিলেও বরাবরই তিনি মিডিয়াকর্মীদের নিকট অস্বীকার করেন।

দিন শেষে উপজেলার,৩নং পূর্ব জাফলং, ১১নং মধ্য জাফলং,২নং পশ্চিম জাফলং,১৩নং বিছনাকান্দি ইউনিয়ন থেকে আসা টাকার হিসাব আর ভাগবাটোয়ারায় ওসি সরকার তোফায়েল আহমেদের রাত কেটে যায়, দিনের বেলায় কোন প্রয়োজনে থানায় গেলে দেখা মিলেনা ওসির।

অপরাধ শীর্ষ যখন গোয়াইনঘাট থানা-পুলিশ! তখন সেই উপজেলায় শান্তি-শৃঙ্খলার অবনতি,অপরাধ লুটপাটে কোন আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবেন সাধারণ মানুষ?

এ বিষয়ে অফিসার ইনচার্জ সরকার মো.তোফায়েল আহমেদের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান,আমি খুব পেরেশানিতে আছি ভাই,শারীরিকভাবেও অসুস্থ। বদলি হয়ে যাবো আপনাদের থানা থেকে।এসব নিউজ না করলে খুশি হবো এবং পরে আপনার সাথে যোগাযোগ করবো।

জানতে চাইলে, এসআই উৎসব তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে উঠে আসা তথ্যের বিষয়টি অস্বীকার করেন।

এসআই তরিকুল বলেন, ১০০ নিউজ করুনঃ আমার কিছুই যায় আসে না টাকা আমি একা খাই নাই।

এসআই রাকিব বলেন,সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে এএসআই তানভীর। আমি এইসব বিষয়ে অবগত নয়।

তানভীর বলেন,ওসি স্যার ও রাকিব স্যার বিষয়টি অবগত রয়েছে কালেকশনের টাকা আমি একা খাই নাই।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট