
নিজস্ব প্রতিবেদক:: সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান, বালু বাণিজ্য আর বখরার রাজত্ব—ওসির বডিগার্ডের হাত দিয়েই চলে অবৈধ লেনদেন।
সিলেটের জৈন্তাপুর সীমান্তে চলছে থানার ওসির অবৈধ বাণিজ্য আর চাঁদাবাজির রাজত্ব। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান ওসির বডিগার্ড আবেদই হয়ে উঠেছেন টাকার মেশিন। সীমান্তের চোরাকারবারি, বালুখেকো ও লাইনম্যানদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা বখরা আদায়ের মূল মাধ্যম এই আবেদ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জৈন্তাপুর সীমান্তের বিভিন্ন বিট অফিসাররা বালু সিন্ডিকেট ও চোরাকারবারিদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ লেনদেনে জড়িয়ে পড়েছেন। এসব অবৈধ আয়ের মূল নিয়ন্ত্রণে রয়েছেন থানার ওসির বডিগার্ড কনস্টেবল আবেদ। তার মাধ্যমেই সীমান্ত এলাকার বালু উত্তোলন, চোরাচালান ও অন্যান্য অবৈধ ব্যবসা নির্বিঘ্নে চলছে।
অভিযোগ উঠেছে, ওসির নির্দেশে আবেদ নিয়মিতভাবে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বখরা আদায় করে থানায় পৌঁছে দেন। স্থানীয় সাংবাদিকদেরও “ম্যানেজ” করে রাখা হয় যাতে এসব অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রকাশ না পায়।
সূত্রমতে, ওসি জৈন্তাপুর থানায় যোগদানের পর থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত প্রায় অর্ধশত কোটি টাকার অবৈধ আয় করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সীমান্ত এলাকার প্রতিটি অবৈধ লেনদেন, পণ্য পাচার, এমনকি বালু ট্রাক চলাচলের প্রতিটি “লাইন” আবেদের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়।
এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত দুর্নীতির তদন্ত ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।